​সাটুরিয়ায় ৬.৯ কিমি খাল খনন শেষে ১কোটি ২২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

🕙 প্রকাশিত : ২৯ জুলাই, ২০২৬ । ৯:২৭ এএম

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় ঐতিহ্যবাহী ‘চন্দ্রখালী খাল’ পুনঃখনন প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত মান বজায় রেখে কাজ শেষ করার পর বরাদ্দের উদ্বৃত্ত ১ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার ১৫৬ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কাজী অনিক ইসলাম।
​উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গাজীখালী নদীর উৎসমুখ থেকে বালিয়াটি-খলিলাবাদ পর্যন্ত ৬.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ চন্দ্রখালী খালের ৪.২ কিলোমিটার অংশ পুনঃখননের জন্য ২ কোটি ৮৩ লাখ ২৭ হাজার ৬২৩ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। প্রকল্পের নির্ধারিত গুণগত মান পুরোপুরি বজায় রেখে কাজ শেষ করার পরও প্রায় ১ কোটি ২২ লাখ টাকা অব্যবহৃত থেকে যায়। নিয়মানুযায়ী পরবর্তীতে সাশ্রয় হওয়া এই অর্থ সরকারি তহবিলে জমা দেওয়া হয়।
​খননকাজের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলাধার সুরক্ষায় খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও গ্রহণ করা হয়েছে।
​এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান বলেন, “সরকারি নির্দেশনা মেনে ৬.৯ কিলোমিটার খাল খনন সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্ষার কারণে একাধিকবার ভাঙন দেখা দিলে পাড় মেরামত করা হয়। এছাড়া খালের স্থায়িত্ব ও পরিবেশ রক্ষায় দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।”
​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কাজী অনিক ইসলাম জানান, ঐতিহ্যবাহী এ খালটি দীর্ঘদিন ধরে দখল ও ভরাটের কারণে প্রায় অকেজো অবস্থায় পড়ে ছিল। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর খালটি পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
​ইউএনও আরও বলেন, “খালের বিভিন্ন স্থানে প্রাক্কলিত প্রস্থের তুলনায় বাস্তবে ভিন্নতা থাকায় অনুমানের চেয়ে কম ব্যয়ে কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। স্বচ্ছতা বজায় রেখে কাজ শেষ করার পর সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ২২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।”

এ বিভাগের আরও সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ