শিরোনাম লিখ
Advertisement
জলবায়ু

জলবায়ু অভিযোজন ও আন্তর্জাতিক অর্থায়নে সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান

Advertisement
সম্পাদক ও প্রকাশক দৈনিক টেলিগ্রাম

বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন, অভিযোজন এবং ক্ষয়ক্ষতির ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার ও আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ।

তিনি মহাখালীর বন ভবনের বিসিসিটি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘জলবায়ু পরিবর্তন নীতি ও শাসন: অভিযোজন, ক্ষয়ক্ষতি ও ক্ষতির যোগসূত্র বোঝা এবং বৈশ্বিক অর্থায়ন ব্যবস্থা থেকে আন্তর্জাতিক অর্থায়ন প্রাপ্তির পথ’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে এ কথা বলেন।

নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের সহায়তায় এবং বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট (বিসিসিটি)-এর আয়োজনে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইসিসিসিএডি) ও অ্যাডামস ফাউন্ডেশন যৌথভাবে কর্মশালাটির আয়োজন করে।

ড. সাইমুম পারভেজ নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি, বিশেষ করে অভিযোজন, ক্ষয়ক্ষতি ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন অর্জনের ক্ষেত্রে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি ও জলবায়ু সহনশীলতা আরও শক্তিশালী করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতামূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

কর্মশালার উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ সাইফুল্লাহ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গাজী মো. ওয়ালিউল হক।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় অবস্থিত নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের প্রশাসন প্রধান ও চার্জ ডি’অ্যাফেয়ার্স ফ্রেডরিক কার্লসরুড।

কর্মশালায় জলবায়ু-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে অংশগ্রহণকারীরা ‘ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা তহবিল (এফআরএলডি)’-এর আওতায় দুটি পূর্ণাঙ্গ প্রকল্প প্রস্তাবনা প্রস্তুত করেন, যা কর্মশালার অন্যতম উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

এ বিভাগের আরও সংবাদ