শিরোনাম
Advertisement
আন্তর্জাতিক

জেন জিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যে সমালোচনার মুখে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র

Advertisement
ছবি: সংগৃহীত

আরও পড়ুন

মার্কিন তরুণ প্রজন্ম ‘জেনারেশন জেড’ বা জেন জিকে ‘অলস’ ও ‘উদারপন্থী আদর্শে প্রভাবিত’ বলে মন্তব্য করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট। একই সঙ্গে অর্থনীতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশকারী তরুণদের কিউবা বা ইরানে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

শনিবার (৪ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। ফক্স নিউজের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এসব মন্তব্য করেন ২৮ বছর বয়সী লেভিট, যিনি নিজেও জেন জি প্রজন্মের প্রতিনিধি।

অনুষ্ঠানে উপস্থাপক জেসি ওয়াটার্সের সঙ্গে আলোচনায় লেভিট অভিযোগ করেন, বর্তমান তরুণ সমাজ যুক্তরাষ্ট্রের মৌলিক মূল্যবোধ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। সম্প্রতি প্রাথমিক নির্বাচনে তরুণ ও বামপন্থী ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের উত্থান নিয়ে আলোচনা করতে গিয়েই এ মন্তব্য করেন তিনি।

আলোচনার একপর্যায়ে উপস্থাপক মন্তব্য করেন, প্রকৃত চাকরি না থাকলে সবকিছুই ব্যয়বহুল মনে হয় এবং অর্থনীতি নিয়ে তরুণদের অভিযোগ তাদের মধ্যে প্রভাব ফেলছে কি না জানতে চান।

জবাবে লেভিট বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত এটি প্রভাব ফেলছে। আমার নিজের প্রজন্ম—জেন জি—মুখে সোনার চামচ নিয়ে বড় হয়েছে। তারা সবকিছু সহজে পেতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র গড়ে উঠেছে কঠোর পরিশ্রম, মেধাভিত্তিক সমাজব্যবস্থা এবং নিজের প্রচেষ্টায় সফল হওয়ার স্বপ্নের ওপর। সেই ঐতিহ্য রক্ষা করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনা করে লেভিট বিশ্ববিদ্যালয়ের উদারপন্থী অধ্যাপক ও স্কুলশিক্ষকদের দায়ী করেন। তিনি এমন অভিভাবকদের প্রশংসা করেন যারা সন্তানদের হোমস্কুলিং বা খ্রিষ্টান ধর্মীয় স্কুলে পাঠাচ্ছেন।

তার দাবি, এসব অভিভাবক চান না তাদের সন্তানরা কমিউনিস্ট বা চরম উদারপন্থী মতাদর্শের প্রভাবের মধ্যে বেড়ে উঠুক।

কথোপকথনের একপর্যায়ে উপস্থাপক অবাধ্য তরুণদের সেনাবাহিনীতে পাঠানোর প্রসঙ্গ তুললে লেভিট বলেন, ‘তাদের কিউবা বা ইরানে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত। তাহলে তারা খুব দ্রুতই দেশে ফিরে আসতে চাইবে।’

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং সমালোচনার ঝড় তুলেছে। অনেক বিশ্লেষক ও ব্যবহারকারী মনে করছেন, এ ধরনের মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের তরুণদের অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও সংকটকে অস্বীকার করার শামিল।

এ বিভাগের আরও সংবাদ