দৈনিক দেশ রূপান্তর, মানিকগঞ্জ২৪.কমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর সাটুরিয়া উপজেলার সাভার গ্রামের অসহায় সোনালী ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা ।
শিলাবৃষ্টির আঘ্তে ছিদ্র চালের নিচে কাটছে দিন শ্রমিক সোনালির এমন শিরুনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর শনিবার দুপুর ১২ টার দিকে বেসরাকারী বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা সাটুরিয়া উপজেলা মিনি সভাক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় সোনালী কে নগদ টাকা তোলে দেন।
পরে মন্ত্রী বলেন, খুব দ্রুত সোনালীকে ৩ ভান টিন ও আরো নগদ অর্থ প্রধান করা হবে।
এসময় সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন,মানিকগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সালাউদ্দিন, পিপিএম-সেবা,সাটুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মৌমিতা গুহ ইভা, সাটুরিয়া থানার ওসি তদন্ত আসাদ্জ্জুামানসহ বিভিন্ন দপ্তর প্রধানগণ উপস্থিত।
অতি সাম্প্রতিক শিলাবৃষ্টিতে ঘরের টিনের চাল ছিদ্র হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করেছে এমন সংবাদ দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকাসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে বেসরাকারী বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার দৃষ্টি গোচর হয়।
সাটুরিয়া উপজেলার সাভার গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে সোনালী হোসেন। তার ৫ সদস্যের এই দরিদ্র পরিবারটি একটি জরাজীর্ণ টিনের ঘরে বসবাস করতেন। সম্প্রতি বয়ে যাওয়া প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টিতে তাদের ঘরের টিনের চাল ঝাঁজরা হয়ে যায়। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই ঘরের ভেতরে পানি পড়তো। বৃষ্টির সময় সন্তানদের নিয়ে পলিথিন টাঙিয়ে রাত পার করতে হতো সোনালীকে।
এ ব্যাপারে সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন বলেন, এই অসহায়ত্বের খবর বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হয়। পরে তার দপ্তর থেকে আমাকে বিষয়টি খোজ খবর নিতে বলেন, বিষয়টি সত্যতা পেলে মন্ত্রী মহোদয় শনিবার নিজের হাতে নগদ টাকা তোলে দেন। বিষয়টি দেখে আমরা খুবই খুশী ও অবাক হয়েছি। খুব ছোট বিষয় কিন্তু মন্ত্রী সব বিষয়ে খবর রাখেন।
সহায়তা পেয়ে আবেগপ্লুত সোনালী বলেন, “বৃষ্টি হলেই আমরা আতঙ্কে থাকতাম, ঘরের সব ভিজে যেত। নিউজ হওয়ার পর মন্ত্রী মহোদয় আমাদের কথা ভেবেছেন এবং টিন দেবার আশ্বাস দিয়েছেন।
স্থানীয়রা মন্ত্রীর এই দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসা করে জানান, গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকার কারণেই আজ একটি অসহায় পরিবার মাথা গোঁজার নিরাপদ ঠাঁই পেল।

