শিরোনাম
Advertisement
সারাদেশ

সারের জন্য শত শত কৃষকের উপচে পরা ভিড়, ডিলারের দোকানে উত্তেজনা

Advertisement
দৌলতপুরের কলিয়া বাজারে সার কিনতে কৃষকদের ভিড়।

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার কলিয়া ইউনিয়নে সারের জন্য চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা ।
সার সরবরাহে সংকটের মুখে কলিয়া বাজারের সার ডিলার মেসার্স রাজ্জাক এন্ড কোং এলাকার কৃষকদের সার দেওয়া আশ্বাসের পর বুধবার সকাল ৭টা থেকেই শত শত কৃষক সার কিনতে ডিলার আব্দুর রাজ্জাকের দোকানের সামনে জড়ো হন। পরে বিপুলসংখ্যক কৃষকের উপস্থিতি দেখে ডিলার সার বিতরণ না করে পুলিশে খবর দিলে সেখানে উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় কৃষকরা জানান,সার ডিলার আব্দুর রাজ্জাক বেশ কিছুদিন ধরে সারের সংকটের কথা বলে সার গুদামে নেই অজুহাত করে আসছিলেন। একপর্যায়ে কৃষকদের সার দেওয়ার কথা জানালে সেই আশ্বাসের ভিত্তিতে বুধবার সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা সার কিনতে তার দোকানের সামনে জড়ো হন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে কৃষকের সংখ্যা বাড়তে থাকে।
একপর্যায়ে শত শত কৃষকের বিশাল সমাগম দেখে আতঙ্কিত হয়ে ডিলার সার বিক্রি বন্ধ করে পুলিশে খবর দেন। এতে অপেক্ষমাণ কৃষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কিছু কৃষক সারের গোডাউনে প্রবেশের চেষ্টা করেন।
খবর পেয়ে দৌলতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) প্রবীর বিশ্বাস , উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ লুৎফে আল মুঈজ ও পুলিশ প্রশাসনের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তারা কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ লুৎফে আল মুঈজ যুগান্তরকে জানান, নির্ধারিত ডিলার আব্দুর রাজ্জাক তাকেসহ উপজেল া নির্বাহী অফিসার কে জানান, তার উত্তোলিত ৭০৬ বস্তা বিভিন্ন ধরনের সার বিতরন চলছিল এসময আকর্ষিক ভাবে কয়েক শত নারী পুরুষ সারের জন্য হুমরি খেয়ে পরে। এক পর্যায়ে সার নিতে আসা কৃষকরা গোডাউন ঘরের দরজা জানালা ভেঙ্গে ফেলার উপক্রম হলে তাদের অবহিত করে। পরে তিনিসহ এসিল্যান্ড ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কৃষকদের প্রয়োজনীয় সংখ্যক সার দেওয়ার আশ্বাস দিলে তার শান্ত হয়। পরে গ্রাম পুলিশ দিয়ে আগত কৃষকদের পুরুষ নয়টি ও নারীদের পৃথক একটি লাইন করে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সার বিতরন করা হয়।

এ বিভাগের আরও সংবাদ