বুধবার

৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৫শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ানোর পরিকল্পনা, ৪৩ খাতে বাস্তবায়ন চলছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

🕙 প্রকাশিত : ৮ এপ্রিল, ২০২৬ । ৭:২৭ পূর্বাহ্ণ

শিক্ষাখাতে বরাদ্দ ধাপে ধাপে বাড়িয়ে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে ৪৩টি খাত চিহ্নিত করে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিম রেজার এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাকে জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করে একটি গুণগত, জীবনমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শিক্ষার মানোন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে চলতি অর্থবছরেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলায় এ কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পুষ্টি চাহিদা পূরণে ধাপে ধাপে সব উপজেলায় স্কুল ফিডিং বা মিড-ডে মিল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডিজিটাল শিক্ষা বিস্তারে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন করা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে দেড় হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই সংযোগ এবং প্রতিটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের জন্য ‘এডু-আইডি’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার উপযোগী করতে মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের সব উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এবং প্রতিটি জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের কাজ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের ২ হাজার ৩৩৬টি কারিগরি এবং ৮ হাজার ২৩২টি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই সংযোগ চালু করা হবে। মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিক করতে স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি কোর্স অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

এছাড়া আইসিটি বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের মাধ্যমে আগামী ছয় মাসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট (ফ্লাটার), পাইথন প্রোগ্রামিং এবং এআই-ভিত্তিক ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ বিভাগের আরও সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ