চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় শিল্পকারখানা স্থাপনের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বেকারত্ব কমানোর আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি লবণচাষিদের জন্য শিগগিরই ন্যায্যমূল্য ঘোষণা করার কথাও জানিয়েছেন।
রোববার (৯ আগস্ট) বাঁশখালীতে আয়োজিত বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন সহায়তা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সমুদ্র উপকূল একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্পদ। এই সম্পদকে কাজে লাগিয়ে উপকূলীয় এলাকায় শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হলে স্থানীয় মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং বেকারত্ব কমাতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কোনোভাবেই যেন কেউ বিভ্রান্তি বা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে বিভিন্ন ধরনের ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
সফরসূচি অনুযায়ী, তিনি হাটহাজারীর আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় মরহুম আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন। এরপর হাটহাজারী ডাকবাংলোয় সংক্ষিপ্ত বিরতি শেষে বিকেল ৫টায় হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সহায়তা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
দিনের শেষ কর্মসূচিতে সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় চট্টগ্রামের একটি হোটেলে আয়োজিত সাংগঠনিক সভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
উল্লেখ্য, এর আগে তারেক রহমান চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সফর করলেও এবারই প্রথম তিনি মহেশখালী, ফটিকছড়ি ও হাটহাজারী সফর করছেন।

