মানিকগঞ্জের শিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য তিন ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডে খানা-তথ্য সংগ্রহের জরিপ শুরু হয়েছে। তবে মাত্র ১৫টি ট্যাবলেট পাওয়ায় আপাতত তেওতা, উলাইল ও মহাদেবপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম সীমিত রাখা হয়েছে। উপজেলায় ৫০ হাজার ৩২টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহে সাতটি ইউনিয়নের ৬৫টি ওয়ার্ডের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৭৪ জন তথ্য সংগ্রহকারী। সোমবার বিকেলে জরিপ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিষা রানী কর্মকার। এ সময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জয় কৃষ্ণ সরকার, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী দবির উদ্দিন আহম্মেদ, মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এসপিএস টিপু সুলতান, ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান, ইউপি সদস্য বশির উদ্দিন, সংরক্ষিত নারী সদস্য মমতাজ বেগম ও বিএনপি নেতা রবিউল বারী হিরুসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জরিপের জন্য ৭৪ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও রিজার্ভসহ আটজন সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে তাঁরা বিশেষায়িত ট্যাবলেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাই করে যোগ্য পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জয় কৃষ্ণ সরকার বলেন, জরিপের সময় পরিবারের সদস্যদের জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্মনিবন্ধন সনদের ফটোকপি এবং পরিবারের নারীপ্রধানের নামে নিবন্ধিত সক্রিয় বিকাশ বা নগদ অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। পরিবারের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড পেতে কোনো তদবির বা আর্থিক লেনদেনের প্রয়োজন নেই। এ ধরনের লেনদেন থেকে বিরত থাকতে হবে। কেউ জড়িত হলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





