গুদামের হিসেবে সাথে প্রকৃত মজুদের মিল না থাকায় ঘিওরে দুই খাদ্য কর্মকর্তা বরখাস্ত

🕙 প্রকাশিত : ২৮ আগস্ট, ২০২৬ । ৫:১১ এএম

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার খাদ্যগুদামে মজুত যাচাই করে ১০০ টন চাল ও ২০ টন গমের ঘাটতি পেয়েছে তদন্ত কমিটি। একই সঙ্গে গুদামে ৪১ টন ধান বেশি এবং ৬ হাজার ৫০০টি খালি বস্তা কম পাওয়া গেছে। বড় ধরনের এই গরমিলের ঘটনায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফারহানা আক্তার ও গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শ্রী বিপুল কুমারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে খাদ্য অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) খাদ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক (সংস্থাপন) অনির্বাণ ভদ্র স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ দেওয়া হয়। শুক্রবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মানিকগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আইয়ুব রায়হান।
খাদ্য অধিদপ্তরের প্রজ্ঞাপন সূত্রে জানা যায়, অধিদপ্তরের ২৫ আগস্টের এক স্মারকের ভিত্তিতে গঠিত তদন্ত কমিটি ঘিওর এলএসডিতে সরেজমিন পরিদর্শন করে। এ সময় গুদামের হিসাবের সঙ্গে প্রকৃত মজুতের মিল না থাকায় ১০০ টন চাল ও ২০ টন গমের ঘাটতি পাওয়া যায়। বিপরীতে ৪১ টন ধান বেশি এবং ৬ হাজার ৫০০টি খালি বস্তা কম পাওয়া যায়।
বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে খাদ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়। পরে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং বিভাগীয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার স্বার্থে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ১২ নম্বর বিধি অনুযায়ী দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও হয়েছে।
এর আগে জেলার সব খাদ্যগুদামে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিশেষ অডিট কার্যক্রম শুরু করে খাদ্য অধিদপ্তর। এর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ঘিওর খাদ্যগুদাম পরিদর্শন করেন অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক। পরে গুদামটি সিলগালা করা হয়।

এ বিভাগের আরও সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ