মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ভেজাল ঘি ও অস্বাস্থকর পরিবেশে দুধের ছানা তৈরির অভিযোগ কারখান সিলগালা ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।
বুধবার সকাল থেকে সাটুরিয়া উপজেলার দরগ্রাম ইউনিয়নের উত্তর শিমুলিয়া গ্রামের গোপাল ঘোষের ছানার কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মানিকগঞ্জ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল এ রায় প্রদান করেন।
গোপাল ঘোষ প্রায় ৭-৮ বছর আগে থেকে দরগ্রাম ও আশে পাশের বিভিন্ন হাট বাজার থেকে দুধ ক্রয় করে নিজ বাড়িতে কারখানায় ছানা তৈরি ঢাকায় বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে সরবরাহ করে আসছে। অসসাস্থ্যকর পরিবেশে ছানা তৈরি হয় এমন সংবাদের ভিত্তিত্বে বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে গোপাল ঘোষের কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মানিকগঞ্জ কার্যালয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মানিকগঞ্জ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল বলেন, অভিযান গিয়ে দেখা যায়, নোংরা পানিতে দুধ পক্রিয়া করে ছানা তৈরি করছে। যে পানিতে দুধ বা ছানা ঠান্ডা করছে, সে পানি খুবই নোংড়া। পাশেই রয়েছে টয়লেট ও ঘোয়াল ঘর। তাছাড়া নকল ঘি তৈরি করে ঢাকার অভিযাত এলাকায় সরবরাহ করছেন। বিষয়টি তিনি স্বীকার করলে , অস্বাস্থকর পরিবেশে তৈরি করা ছানা বিনষ্ট ও কারখানা সিলগালা এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রধান করা হয়।
আসাদুজ্জামান রুমেল আরো বলেন, যে পর্যন্ত সে কারখানার পরিবেশ পরিবর্তন না করবে সে পর্যন্ত ছানা ও ঘি তৈরির কারখানা বন্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য ২০২১ সনে বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার গোপাল ঘোষকে সতর্ক এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রধান করা হয়েছিল। তার পরও সে ভেজাল ঘি ও অসাস্থ্যকর পরিবেশে ছানা তৈরি করে আসছিল।

