দৌলতপুরে প্রধান শিক্ষকের অপসারণ ও শাস্তির দাবিতে অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মানববন্ধন

🕙 প্রকাশিত : ১৪ জুলাই, ২০২৬ । ১:০৬ পিএম

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগ এনে তাঁর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

​১৪ ই জুলাই (মঙ্গলবার) দুপুর ১ টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের সামনে স্থানীয় এলাকাবাসী ও সাধারণ অভিভাবকদের উদ্যোগে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় ভুক্তভোগী অভিভাবক বাবুল হোসেন বলেন -এই প্রধান শিক্ষক আমার মেয়ের টিসি আনতে গেলে দেয়না ওনি আমার কাছে থেকে ৭০০ টাকা টিসি বাবদ নিয়েছে।তবু আমাকে বহু হয়রানি করছে আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই।

এবিষয়ে আরেক ভুক্তভোগী চাঁন মিয়া চৌকিদার অভিযোগ করেন আমার ভাসতী গরীব সে পরিক্ষার ফিস ও বেতন দিতে পারেনি বলে তাকে পরিক্ষার হলে থেকে বেড় করে দিয়েছে।আমি রেজাউল মাষ্টার এর কঠিন বিচার প্রার্থনা করছি।

এবিষয়ে দৌলতপুর থানা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুস সালাম বলেছেন প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ আমাদের কাছে আছে বিষয়টি এমপি মহোদয় কে অবগত করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আগামীতে আরো কঠিন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

​মানববন্ধনে বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমানী বলেন, প্রধান শিক্ষক মোঃ রেজাউল করিম দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের অর্থলোভী ও দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। তাঁর স্বেচ্ছাচারী আচরণ এবং নানা অনৈতিক ও দুশ্চরিত্র কর্মকাণ্ডের কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একজন শিক্ষকের এমন আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে তাঁকে এই বিদ্যালয় থেকে অপসারণ করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

​এসময় উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল মতিন মাস্টার আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রশাসন যদি দ্রুত সময়ের মধ্যে ওই বিতর্কিত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তবে আগামীতে আরও কঠোর ও বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে। এই প্রধান শিক্ষক বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের দালাল ছিল যার ফলে ওই স্কুলে যত সভাপতি হয়েছে এগুলো দলীয় নেতাকর্মীদের বানিয়েছে।এখন আবার সরকারি লোকদের সভাপতি বানিয়ে ফয়দা লুটছেন। এছাড়া তার প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বেতন ও পরিক্ষার ফি তিনগুণ নিচ্ছে যার ফলে এলাকার মেধাবী গরীব ছাত্রীরা লেখা পড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অবিলম্বে এই প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবি করছি।

​উক্ত মানববন্ধনে বিদ্যালয়ের বিপুল সংখ্যক অভিভাবক এবং স্থানীয় সচেতন এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন এবং প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম এর পদত্যাগ সহ কঠিন বিচার দাবী করেন।

এ বিভাগের আরও সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ