মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে এই মুহূর্তে তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে একটিই নাম—জনাব আবুল বাসার সরকার। ত্যাগ, সততা এবং আপোষহীন নেতৃত্বের এক অনন্য প্রতীক হিসেবে পরিচিত এই জননেতাকেই আগামী দিনে সাটুরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দেখতে চায় স্থানীয় দলীয় ফোরাম ও সাধারণ জনগণ।
দুঃসময়ের পরীক্ষিত কাণ্ডারি
দলীয় সূত্র ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, দলের প্রতিটি সংকট ও দুঃসময়ে আবুল বাসার সরকার সবসময় রাজপথে সম্মুখসারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি কয়েকবার কারাভোগ করেছেন এবং ১৭টি মিথ্যা রাজনৈতিক মামলা বীরত্বের সাথে মোকাবিলা করেছেন। শত জুলুম-নির্যাতন ও প্রতিকূল পরিস্থিতির মাঝেও তিনি কখনো নিজ আদর্শ ও দলের নীতি থেকে বিচ্যুত হননি। তাঁর এই আপোষহীন ও ত্যাগী ভূমিকার কারণেই দিন দিন তৃণমূল পর্যায়ে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আকাশচুম্বী হয়েছে।
জনপ্রতিনিধি হিসেবে সফলতার গৌরবোজ্জ্বল ক্যারিয়ার
শুধু দক্ষ রাজনৈতিক সংগঠকই নন, জনপ্রতিনিধি হিসেবেও আবুল বাসার সরকার নিজের মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছেন। সাটুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চার চারবারের সফল চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর সুদীর্ঘ মেয়াদে সাটুরিয়া ইউনিয়নের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী জোরদারে তিনি অনন্য ও যুগান্তকারী অবদান রেখেছেন। তাঁর এই জনবান্ধব ও উন্নয়নমুখী কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের কাছেও এক আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
তৃণমূলের জোরালো দাবি
সাটুরিয়ার তৃণমূল নেতাকর্মীদের স্পষ্ট দাবি, দলের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উপজেলা বিএনপিকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও গতিশীল করতে আবুল বাসার সরকারের মতো একজন পরীক্ষিত, ত্যাগী ও জনপ্রিয় নেতার কোনো বিকল্প নেই। তৃণমূলকে ঐক্যবদ্ধ রেখে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো দূরদর্শিতা ও সাংগঠনিক সক্ষমতা তাঁর রয়েছে।
এমন বাস্তবতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি সাটুরিয়ার সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের আকুল আবেদন—দলের দুঃসময়ের পরীক্ষিত ও রাজপথের লড়াকু সৈনিক জনাব আবুল বাসার সরকারকেই যেন সাটুরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে মনোনীত করে দলের সাংগঠনিক অভিভাবকত্ব প্রদান করা হয়।

