নারী শিক্ষা ও গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর ‘অদম্য নারী’ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রোববার (৮ মার্চ) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের হাত থেকে এ সম্মাননা গ্রহণ করেন খালেদা জিয়ার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
অনুষ্ঠানে দেশের আট বিভাগ থেকে মনোনীত ৩৯ জন নারীর মধ্যে পাঁচজনকে বিশেষভাবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। তারা হলেন খুলনার ববিতা খাতুন, চট্টগ্রামের শমলা বেগম, রংপুরের নুরবানু কবীর, ময়মনসিংহের নূরুন নাহার আক্তার এবং ঢাকার আফরোজা ইয়াসমিন।
এছাড়া বিভিন্ন বিভাগ থেকে আরও বহু নারী তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে অবদানের জন্য পুরস্কার পেয়েছেন। ঢাকা বিভাগ থেকে আরিফা বেগম, মারুফা আক্তার, নাছরিন আক্তার, মুক্তা আক্তার ও আফরোজা ইয়াসমিন; রাজশাহী বিভাগ থেকে লতা খাতুন, রিজু তামান্না, রাশেদা বেগম, রাজিয়া খাতুন ও সুমাইয়া ইসলাম; চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে আসমা আক্তার কনা, তাজকেরা চৌধুরী, বিলকিছ বেগম ও শমলা বেগম সম্মাননা পান।
সিলেট বিভাগ থেকে কুলসুমা বেগম, আমিনা বেগম, রহিমা বেগম, কাঞ্চন বেগম ও রিফাত আরা রিফা; খুলনা বিভাগ থেকে তারানা তাবাচ্ছুম, ববিতা খাতুন, লুৎফুন নেছা বেগম, শরিফা ইয়াসমিন ও রাজিয়া খাতুন পুরস্কৃত হন।
রংপুর বিভাগ থেকে ফরিদা পারভীন, রিক্তা বানু, রাশেদা বেগম, পারভীন আক্তার ও খন্দকার আবিদা সুলতানা রিয়া; বরিশাল বিভাগ থেকে নিলুফা ইয়াছমিন, নাহীদ রুমানা মিতু, দেলোয়ারা বেগম, সালমা আক্তার ও রিতা ব্রহ্ম; এবং ময়মনসিংহ বিভাগ থেকে নুরুন নাহার বেগম, উম্মে রাফিবা জাহান, হাসনা হেনা বারী, নাসরীন বেগম ও তাহমিদা এই সম্মাননা লাভ করেন।
নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান ও অদম্য মনোবলের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ সম্মাননা নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকে আরও উৎসাহিত করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। একই সঙ্গে এমন স্বীকৃতি নারীর সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও সাফল্যের গল্পকে দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

