চোটের কারণে মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি নেইমার। তবুও নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে তার উপস্থিতিই যেন ছিল ম্যাচের অন্যতম বড় আকর্ষণ।
ডান পায়ের পেশির চোটে আক্রান্ত হওয়ায় রোববারের ম্যাচে খেলতে পারেননি ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। তবে দলের সঙ্গে স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে সতীর্থদের উৎসাহ দিতে দেখা গেছে তাকে। ডাগআউটে ছিলেন স্বভাবসুলভ প্রাণবন্ত মেজাজে, আর ক্যামেরাও বারবার ঘুরে গেছে তার দিকেই।
ম্যাচে মরক্কো প্রথমে ইসমাইল সাইবারির গোলে এগিয়ে গেলেও পরে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দৃষ্টিনন্দন গোলে সমতায় ফেরে ব্রাজিল। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুই দল।
ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযান শুরুর আগে সমর্থকদের বড় প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন নেইমার। মাঠে না থাকলেও গ্যালারিতে বসে করতালি, উচ্ছ্বাস আর উদ্বেগের অভিব্যক্তিতে তিনি যেন দলেরই এক অনানুষ্ঠানিক অধিনায়কের ভূমিকা পালন করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ম্যাচের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি আলোচনায় উঠে আসে নেইমারের উপস্থিতি। অনেক সমর্থকের মতে, তিনি কেবল একজন ফুটবলার নন, বরং ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের এক আবেগ ও প্রতীক।
ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোল যেমন ব্রাজিলকে স্বস্তি দিয়েছে, তেমনি নেইমারের হাসিমুখও সমর্থকদের আশাবাদী করেছে। মাঠের বাইরে থেকেও তিনি যে দলের প্রাণভোমরা হয়ে আছেন, সেটিই যেন আরও একবার প্রমাণ হয়েছে মরক্কো ম্যাচে।
এখন ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের অপেক্ষা, কবে আবার মাঠে ফিরবেন নেইমার। তাদের বিশ্বাস, পুরোপুরি সুস্থ হয়ে খুব শিগগিরই আবারও সেলেসাওদের জার্সিতে মাঠ মাতাবেন এই তারকা ফুটবলার।

