শিরোনাম
Advertisement
খেলা

ইংল্যান্ডের গোল ঘিরে বিতর্ক, সেন্সর প্রযুক্তির তথ্য প্রকাশ করল ফিফা

Advertisement
ছবি: সংগৃহীত

আরও পড়ুন

নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। তবে ম্যাচের প্রথম গোলটি ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। নরওয়ের দাবি, গোলের সূচনালগ্নে বলটি স্পাইডারক্যামের ঝুলন্ত তারে লেগেছিল, যার ফলে নিয়ম অনুযায়ী খেলা থামানো উচিত ছিল। তবে বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে ফিফা।

মিয়ামিতে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষ দিকে ঘটনাটি ঘটে। নরওয়ের গোলরক্ষক ওরইয়ান নিলান্ডের নেওয়া দীর্ঘ কিক মাঝমাঠে যাওয়ার সময় বলটি স্পাইডারক্যামের তারে স্পর্শ করেছিল বলে অভিযোগ করে নরওয়ে। সেই পরিস্থিতি থেকেই ইংল্যান্ড আক্রমণ গড়ে তোলে এবং জুড বেলিংহাম গোল করে দলকে সমতায় ফেরান।

ফুটবলের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, বল যদি মাঠের ওপর ঝুলন্ত তার বা অন্য কোনো বহিরাগত বস্তুর সঙ্গে স্পর্শ করে এবং তা রেফারির নজরে আসে, তাহলে খেলা বন্ধ করে পুনরায় শুরু করার বিধান রয়েছে।

গোল হজমের পর নরওয়ের গোলরক্ষক রেফারির কাছে গিয়ে ওপরের দিকে ইঙ্গিত করে বল তারে লাগার বিষয়টি জানান। ডাগআউটে থাকা নরওয়ের কোচ স্টেলে সোলবাকেনও সহকারী রেফারির সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। তবে ম্যাচ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে খেলা বন্ধ বা সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

ঘটনাটি ভিএআর পর্যালোচনা করেছে কি না, সেটিও স্পষ্ট করা হয়নি। তবে ম্যাচের ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই দাবি করেন, বলটি সত্যিই তারে স্পর্শ করেছিল।

পরে অতিরিক্ত সময়ের শেষ দিকে ফিফা এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানায়, বলটি স্পাইডারক্যামের তারে লেগেছিল—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ফিফার ব্যাখ্যায় বলা হয়, ম্যাচে ব্যবহৃত কানেক্টেড বল প্রযুক্তির সেন্সরে বল বাতাসে থাকার সময় কোনো অস্বাভাবিক কম্পন বা ‘হার্টবিট’ রেকর্ড হয়নি। ফলে বলটি তারে আঘাত করেছিল বা এর গতিপথ পরিবর্তিত হয়েছিল—এমন কোনো তথ্য প্রযুক্তিগতভাবে শনাক্ত হয়নি।

এর আগে চলতি বিশ্বকাপেই কানেক্টেড বল প্রযুক্তির সহায়তায় একটি গোল বাতিলের ঘটনা ঘটেছিল। পর্তুগালের বিপক্ষে ম্যাচে বল এক ক্রোয়েশিয়ান খেলোয়াড়ের পায়ে স্পর্শ করার প্রমাণ পাওয়ায় অফসাইডের কারণে ক্রোয়েশিয়ার সমতাসূচক গোলটি বাতিল করা হয়।

এ বিভাগের আরও সংবাদ