গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলায় রোববার বিকেলে বজ্রপাতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে এবং একজন আহত হয়েছেন। একই ঘটনায় একটি গবাদিপশুও মারা গেছে।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামে বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন—ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম সুজা চৌধুরীর ছেলে ফুয়াদ হাসান চৌধুরী (২২), আল মোজাহিদ চৌধুরী ওরফে ছোটনের ছেলে রাফি চৌধুরী (১০) এবং একই গ্রামের নবীর হোসেনের ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী মিজানুর রহমান (১৬)। ফুয়াদ ও রাফি আপন চাচাতো ভাই। আহত হয়েছেন একই গ্রামের আব্দুল হাই মিয়ার ছেলে শাহীন মিয়া (১৭), তাকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোখলেছুর রহমান মণ্ডল জানান, তারা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ির উঠানে বাঁশের টংয়ে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রবৃষ্টি শুরু হলে সবাই পাশের একটি চালা ঘরে আশ্রয় নেন। এ সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তিনজন ও একটি গরু মারা যায় এবং শাহীন গুরুতর আহত হন।
অন্যদিকে, ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি ইউনিয়নের জামিরা চর গ্রামে বজ্রপাতে শুক্কুর আলী প্রামাণিকের ছেলে মানিক প্রামাণিক (৩৫) নিহত হন। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আজহারুল হান্নান জানান, বিকেলে তিনি ঘোড়ার গাড়িতে খড় পরিবহন করছিলেন, এ সময় বজ্রপাতে তিনি ও তার ঘোড়া ঘটনাস্থলেই মারা যান।
এছাড়া সাঘাটা উপজেলার হেলেঞ্চা গ্রামে বজ্রপাতে নম্বার আলী (৬০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বোনারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাছিরুল আলম স্বপন জানান, বিকেল ৩টার দিকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হলে বাড়ির পাশে মাঠে বাঁধা ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রপাতে তিনি মারা যান।
হঠাৎ এ ধরনের বজ্রপাতের ঘটনায় তিনটি উপজেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা বজ্রপাত থেকে রক্ষায় আরও সচেতনতা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন।
গাইবান্ধায় বজ্রপাতে প্রাণহানি, তিন উপজেলায় ৫ জন নিহত, আহত ১
🕙 প্রকাশিত : ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ । ৪:৪৪ পূর্বাহ্ণ

