প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা ও বাংলাদেশের রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব তোফায়েল আহমেদের মরদেহ ভোলায় পৌঁছানোর পর জানাজাস্থলে বিক্ষোভ করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা ১১টার দিকে ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিপুলসংখ্যক ছাত্রদল ও যুবদল নেতাকর্মী জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় তারা “আওয়ামী লীগের ঠিকানা এই ভোলায় হবে না”সহ নানা স্লোগান দিতে থাকেন।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, ভোলার ছাত্রদল নেতা নুরে আলম ও যুবদল নেতা রহিম হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। এ অভিযোগ তুলে তারা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজা না পড়ানোর দাবি জানান।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলমসহ দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের শান্ত করে মাঠ থেকে সরিয়ে নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
এর আগে, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম অগ্রসৈনিক ও মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক তোফায়েল আহমেদ সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। একই দিন বাদ মাগরিব রাজধানীর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে হেলিকপ্টারযোগে তার মরদেহ নিজ জেলা ভোলায় নেওয়া হয়। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ভোলা সরকারি হাই স্কুল মাঠে জানাজা শেষে দক্ষিণ গঙ্গাপুর এলাকার কোরালিয়া গ্রামে মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতা ও লিভারের সমস্যায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ। গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

