নদী ভাঙন রোধে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫টি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত এসব প্রকল্প অনুমোদন দিয়ে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
রোববার দুপুরে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার পাটুরিয়া ঘাট, ঘাট সংলগ্ন বড়রিয়া ও দড়িকান্দি সোলার প্ল্যান্ট এলাকা ও হরিরামপুর উপজেলার পদ্মা নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, পাটুরিয়া ঘাটসহ জেলার নদী ভাঙন কবলিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, “আগামীকাল সকাল থেকেই পাটুরিয়া ঘাটসহ জেলার বিভিন্ন ভাঙন কবলিত এলাকায় জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা শুরু হবে। এছাড়া পদ্মা ও যমুনা নদীর চরাঞ্চলেও ভাঙনরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, নদী ভাঙন রোধে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫টি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত এসব প্রকল্প অনুমোদন দিয়ে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, “একটি মানুষের একটি ঘর কিংবা এক কাঠা জমিও যেন নদীগর্ভে বিলীন না হয়, সে লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ উদ্যোগ নিয়েছেন। ইনশাল্লাহ আগামী বর্ষার পর এর স্থায়ী বাস্তবায়ন করা হবে।”
এসময় উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্ত, মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আখতারুজ্জামানসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

