রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ জনে। তাদের মধ্যে ২৩ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, উদ্ধার হওয়া ২৬ জনের মধ্যে ১১ জন নারী, ৭ জন পুরুষ এবং ৭ জন শিশু রয়েছে। শিশুদের মধ্যে ৩ জন মেয়ে ও ৪ জন ছেলে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ইতোমধ্যে ২২ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আহত ৩ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুরে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে ফেরিতে ওঠার সময় ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি বাস পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে। প্রায় ৭ ঘণ্টার চেষ্টার পর গভীর রাতে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ডুবে যাওয়া বাসটি নদী থেকে তুলে আনে।
উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে। নিহতদের পরিচয় শনাক্তে স্বজনদের দ্রুত যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে মরদেহ হস্তান্তর করা হচ্ছে।
এদিকে এ দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে।


