“কৃষিই সমৃদ্ধি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রূরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)’ প্রকল্পের আওতায় “পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬” অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া তিনি নদী ভাঙ্গন মানুষের মাঝে ঢেউটিন,শুক্ন খাবার,নগদ টাকা, কীটনাশক ও সার বিতরণ, গাছের চারা বিতরণ ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি প্রতিটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাচ্চাদের স্কুল ব্যাগ, ড্রেস ও জুতা বিতরণ করছেন।
১০ জুলাই (শুক্রবার) উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
দৌলতপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই কংগ্রেসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ-১ (১৬৮, সংসদ সদস্য) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ শাহজাহান সিরাজ।
ব্যতিক্রমী ও গুরুত্বপূর্ণ এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিয়ান নুরেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ লুৎফে -আল -মুঈজ ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি প্রবীর বিশ্বাস, থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি স্বপন কুমার সরকার, উপজেলা প্রকৌশলী খন্দকার এনামুস সালেহীন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মহসিন- উল- হাসান ,উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল মতিন, সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ লোকমান হোসেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনিছুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফেরদৌস রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি, পুষ্টির উন্নয়ন, কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি এবং জলবায়ু সহনশীল টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা, সফল কৃষক-কৃষাণী এবং গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর বলেন, “কৃষিই আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কৃষিকে আধুনিক, লাভজনক ও বাণিজ্যিকীকরণের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। ‘পার্টনার’ প্রকল্প গ্রামীণ অর্থনীতির চিত্র বদলে দিতে এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে।”তিনি আরও বলেন, “আমাদের শুধু খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেই চলবে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পুষ্টির চাহিদাও নিশ্চিত করতে হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমাদের প্রান্তিক কৃষকেরা আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া পাবেন এবং দক্ষ কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠবেন। বিশেষ করে দৌলতপুরের মতো নদীভাঙন ও বন্যাপ্রবণ এলাকায় জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। আমি আশা করি, স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই প্রকল্প শতভাগ সফল হবে এবং দৌলতপুরের কৃষকেরা এর সুফল পাবেন। তিনি আরোও বলেন-“জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ‘পার্টনার’ প্রকল্প অত্যন্ত সময়োপযোগী। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্যই হলো গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, পুষ্টির নিরাপত্তা এবং নতুন নতুন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি করা। দৌলতপুরের কৃষকদের আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিতে রূপান্তর করতে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।” তিনি উপজেলার কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সফল কৃষক-কৃষাণীদের এই কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
দৌলতপুরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ‘পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬’ অনুষ্ঠিত
মোঃ শাহ আলম,দৌলতপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি:
“কৃষিই সমৃদ্ধি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রূরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)’ প্রকল্পের আওতায় “পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬” অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া তিনি নদী ভাঙ্গন মানুষের মাঝে ঢেউটিন,শুক্ন খাবার,নগদ টাকা, কীটনাশক ও সার বিতরণ, গাছের চারা বিতরণ ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি প্রতিটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাচ্চাদের স্কুল ব্যাগ, ড্রেস ও জুতা বিতরণ করছেন।
১০ জুলাই (শুক্রবার) উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
দৌলতপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই কংগ্রেসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ-১ (১৬৮, সংসদ সদস্য) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ শাহজাহান সিরাজ।
ব্যতিক্রমী ও গুরুত্বপূর্ণ এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিয়ান নুরেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ লুৎফে -আল -মুঈজ ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি প্রবীর বিশ্বাস, থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি স্বপন কুমার সরকার, উপজেলা প্রকৌশলী খন্দকার এনামুস সালেহীন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মহসিন- উল- হাসান ,উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল মতিন, সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ লোকমান হোসেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনিছুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফেরদৌস রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি, পুষ্টির উন্নয়ন, কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি এবং জলবায়ু সহনশীল টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা, সফল কৃষক-কৃষাণী এবং গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর বলেন, “কৃষিই আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কৃষিকে আধুনিক, লাভজনক ও বাণিজ্যিকীকরণের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। ‘পার্টনার’ প্রকল্প গ্রামীণ অর্থনীতির চিত্র বদলে দিতে এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে।”তিনি আরও বলেন, “আমাদের শুধু খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেই চলবে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পুষ্টির চাহিদাও নিশ্চিত করতে হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমাদের প্রান্তিক কৃষকেরা আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া পাবেন এবং দক্ষ কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠবেন। বিশেষ করে দৌলতপুরের মতো নদীভাঙন ও বন্যাপ্রবণ এলাকায় জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। আমি আশা করি, স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই প্রকল্প শতভাগ সফল হবে এবং দৌলতপুরের কৃষকেরা এর সুফল পাবেন। তিনি আরোও বলেন-“জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ‘পার্টনার’ প্রকল্প অত্যন্ত সময়োপযোগী। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্যই হলো গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, পুষ্টির নিরাপত্তা এবং নতুন নতুন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি করা। দৌলতপুরের কৃষকদের আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিতে রূপান্তর করতে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।” তিনি উপজেলার কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সফল কৃষক-কৃষাণীদের এই কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

