শুক্রবার

১২ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিবালয়ে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ বিষয়ক কর্মশালা

🕙 প্রকাশিত : ১১ জুন, ২০২৬ । ২:৩৯ অপরাহ্ণ

শিবালয় উপজেলায় ‘গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সমূহের অংশ গ্রহনে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রনয়ন’ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বৃপস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে উপজেলা সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় ১০টি এনজিও প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মী অংশ গ্রহন করেন।
জানা গেছে, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী- ইউএনডিপি উদ্যোগে সরকারি অর্থায়নে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি ও কর্মকর্তাগণ কর্মশালায় অংশ নেন। জেলা স্থানীয় সরকার বিভাগ উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নাজমুল হাসান খান জুম সভায় যুক্ত ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিষা রানী কর্মকার প্রধান অতিথি ছিলেন।
এছাড়া, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার চৌধুরী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী দবিরুল আলম, সমাজসেবা কর্মকর্তা মো: রওশন আলী মন্ডল, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তুহিনা সুলতানা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো: ইমরান হোসেন, ওসি (তদন্ত) মিনহাজ উদ্দিন, স্থানীয় এনজিও ব্র্যাক, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন, সাজেদা ফাউন্ডেশন, এসএসএস প্রমূখ প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
গ্রাম আদালত সক্রিয় কর্মসূচী-৩য় পর্যায় উপজেলা সমন্বয়কারী হাওয়া খাতুন জানান, অল্প সময়ে স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে গ্রাম আদালত সক্রিয় ভূমিকা রাখে। এ লক্ষ্যে গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ অনুযায়ী ফৌজদারী ও দেওয়ানী বিরোধের সহজ ও দ্রুত নিস্পত্তির জন্য এ আদালত গঠিত হয়। গ্রাম আদালতে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত বিরোধের নিস্পত্তি করা যায়।
ইউএনও মনিষা রানী কর্মকার বলেন, সুবিধা বঞ্চিত মানুষের ন্যায় পাওয়ার জন্য গ্রাম আদালত সক্রিয় করার কর্মসূচী এগিয়ে চলেছে। বিশেষ করে নারীদের বিচার পাওয়ার জন্য এ আদালতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, বিচার প্রার্থী, প্রতিবাদী পক্ষ ও সালিশদার সমন্বয়ে বিচার ব্যবস্থা রয়েছে। ফৌজদারী ও দেওয়ানী বিষয়ে যথাক্রমে ১০ ও ২০ টাকা ফি জমা দিয়ে স্বল্প খরচে এ আদালতের দ্বারস্থ হতে পারবেন। তবে, চুরি, ডাকাতিসহ ফৌজদারী অপরাধ ব্যাতিত অন্য বিষয় এ আদালতে বিচার করা যাবে। গ্রাম আদালতে কোন আইনজীবী নিয়োগের বিধান নেই।

এ বিভাগের আরও সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ