আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চোরাই পথে দেশে গরু প্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এমনটাই জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
শনিবার (২৩ মে) রাজধানীর গাবতলী কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষা এবং কোরবানির পশুর বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। চোরাই পথে গরু প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, পশুর হাটে যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম না ঘটে, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্ক রয়েছে। জাল টাকা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় মেশিন স্থাপন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। এ উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যে কোরবানির পশুর হাট বসতে শুরু করেছে।
প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের হিসাব বলছে, চলতি বছর দেশে কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা রয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। এর বিপরীতে দেশে প্রস্তুত রয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি পশু। সে হিসেবে প্রায় ২২ লাখ ২৭ হাজার ৫০৬টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।
এর মধ্যে কোরবানিযোগ্য গরু ও মহিষ রয়েছে ৫৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮৭৮টি, ছাগল ও ভেড়া রয়েছে ৬৬ লাখ ৩২ হাজার ৩০৭টি এবং অন্যান্য প্রজাতির প্রাণী রয়েছে ৫ হাজার ৬৫৫টি।
সরকারের দাবি, দেশীয় খামারিদের উৎপাদিত পশু দিয়েই এবার কোরবানির চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে।

