চুদলিং পং, রাগ করলা?

🕙 প্রকাশিত : ১ জুলাই, ২০২৬ । ৮:০৩ এএম

(আজ আন্তর্জাতিক ফান দিবস)
কবি সুধীন দত্ত লিখেছেন: ‘শব্দের স্বভাব টাকার মতো; বহু ব্যবহারে তা ক্ষয়ে যায়, হস্তান্তরে তাতে কলঙ্ক জমে, বয়স তাকে অচল করে, আবার কালে সে স্থান পায় জাদুঘরের গ্লাসকেসে। ম্যুজিয়াম-ভুক্তি বিলুপ্তির নামান্তর নয়; অপ্রচলিত শব্দও অবস্থাবিশেষে কাজে লাগে।’ তিনি নিজেই কোনার্কের সুন্দরীদের সৌন্দর্য বর্ণনা করতে গিয়ে তাদের ‘পাছা বেজায় ভারী’ উল্লেখ করতে পিছপা হননি। মহিলাদের নিতম্বের স্থলে ওই শব্দটির দ্বিতীয় কোনো ব্যবহার আমার জানা নেই। তবে অতি প্রাকৃত বাংলা দেশবাসীকে খুব একটা ভালো কিছু দেয় না এবং বাংলা ভাষার প্রাগ্রসর বিবর্তনেও ভূমিকা রাখে না।

এ প্রসংগ বললাম এজন্য যে, বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিদিনই জন্ম নিচ্ছে নতুন নতুন শব্দ, বাক্য আর অভিব্যক্তি। কখনো কোনো লাইভ ভিডিও, কখনো টিকটকের সংলাপ, আবার কখনো মিম পেজের হাস্যরস-সব মিলিয়ে গড়ে উঠছে এক নতুন ডিজিটাল ভাষা। সম্প্রতি এমনই এক বহুল আলোচিত শব্দগুচ্ছ হলো ‘চুদলিং পং’ এবং ‘রাগ করলা?’।

‘চুদলিং পং’ এর নির্দিষ্ট কোনো অভিধানগত অর্থ নেই, তবু এটি এখন ফেসবুক কমেন্ট, টিকটক ভিডিও, লাইভস্ট্রিম এবং অনলাইন আড্ডায় বহুল ব্যবহৃত। প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে একটি প্রায় অর্থহীন শব্দ এত দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠল?

ভাষাবিদদের মতে, ইন্টারনেটের ভাষায় অনেক শব্দের শক্তি থাকে তার অর্থে নয়, বরং ব্যবহারের ভঙ্গিতে। ‘চুদলিং পং’ তেমনই একটি শব্দ, যার মূল আকর্ষণ তার ধ্বনি ও হাস্যরসাত্মক ব্যবহার। এটি কোনো প্রমিত বাংলা শব্দ নয়, বরং ইন্টারনেট সংস্কৃতি, ট্রল, লাইভস্ট্রিম ও টিকটক-ভিত্তিক কথোপকথন থেকে জনপ্রিয় হয়েছে। ‘চুদলিং পং কোথা থেকে প্রথম এসেছে, তা নিয়ে নিশ্চিত কোনো একাডেমিক বা প্রামাণ্য তথ্য নেই। তবে সাধারণভাবে ধারণা করা হয়, এটি কয়েকজন ফেসবুক/টিকটক কনটেন্ট নির্মাতার মজার সংলাপ বা বিকৃত উচ্চারণ থেকে ভাইরাল হয়। ‘চুদলিং’ অংশটি বাংলা অশালীন গালির বিকৃত বা হালকা-কমেডি রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ‘পং’ শব্দটি আসলে অর্থবোধক নয়; ছন্দ, মজা বা ব্যঙ্গাত্মক সাউন্ড তৈরির জন্য জুড়ে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশি অনলাইন সংস্কৃতিতে এমন অনেক অর্থহীন কিন্তু মজাদার শব্দ তৈরি হয়। যেমন হঠাৎ ভাইরাল হওয়া ক্যাচফ্রেজ, যেগুলো পরে মিমে রূপ নেয়।

আভিধানিক বা ব্যাকরণগতভাবে ‘চুদলিং পং’ শব্দ গুচ্ছের নির্দিষ্ট কোনো অর্থ না থাকলেও পরিস্থিতি ও প্রেক্ষাপট অনুযায়ী এর কয়েকটি অর্থ প্রকাশ পায়।

ঝামেলা বা জটিল অবস্থা: সাধারণ অর্থে কোনো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি, ঝামেলা, গ্যাঞ্জাম বা অবস্থা খারাপ বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন, ভাই আর বইলেন না, লাইফটা পুরাই চুদলিং পং হয়ে আছে।

সবকিছু নষ্ট বা ‘টু গোন টু শিট’: কোনো পরিকল্পনা ভেস্তে গেলে বা আশানুরূপ ফলাফল না পেলে এই এক্সপ্রেশনটি ব্যবহার করা হয়।

অর্থহীন বা গুরুত্বহীন: অনেক সময় কোনো যুক্তিহীন বা গুরুত্বহীন আলাপকে ব্যঙ্গ বা মকারি করতে এটি বলা হয়।

জগাখিচুড়ি অবস্থা: যেকোনো চরম জগাখিচুড়ি বা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া পরিস্থিতি বোঝাতেও তরুণরা এটি ব্যবহার করছে।

আংশিক আব্রুকরণ: বাংলা ভাষায় প্রচলিত কিছু কঠোর গালি বা স্ল্যাংকে প্রকাশ্য পাবলিক স্পেসে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরাসরি ব্যবহার করা যায় না। তাই সেটিকে কিছুটা শ্রুতিমধুর বা আড়াল করার উদ্দেশ্যে আংশিক পরিবর্তন বা বিকৃত করে ‘চুদলিং’ শব্দটির সৃষ্টি হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন। ঢাকার তরুণদের মুখে মুখে গত বছর খানেক ধরেই ‘চুদলিং’ শব্দটি ‘ক্যাচাল’ বা ‘ঝামেলা’ অর্থে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
ধ্বনিগত বৈশিষ্ট্য: শব্দটির শেষে ‘পং’ যুক্ত হওয়ায় এটি শুনতে কিছুটা ম্যান্ডারিন বা চীনা শব্দের মতো শোনায়। এই অদ্ভুত ও কিছুটা কমিক বা ফানি ধ্বনিগত কাঠামোর কারণেই শব্দবন্ধটি মানুষের মুখে দ্রুত আটকে যায়।

জেন-জি সংস্কৃতির প্রভাব: ইন্টারনেটে বৈশ্বিক তরুণদের ‘ঝশরনরফর’ বা এই জাতীয় অর্থহীন কিন্তু ট্রেন্ডিং শব্দের মতো বাংলাদেশি তরুণ ও জেন-জি প্রজন্ম এই শব্দটিকে লুফে নিয়েছে। যেকোনো স্থানে বা মন্তব্যে শুধু ‘চুদলিং পং’ লিখে দেওয়াটাই এখন এক ধরনের ইন্টারনেট ট্রল বা কাউন্টার-কালচার।

এটি জনপ্রিয়তার কারণ এবং বর্তমান প্রভাব সম্পর্কে বলা যায়-

র‌্যাপ গান ও মিউজিক ভিডিও: এই ট্রেন্ডকে কেন্দ্র করে ‘বড় ভাই’ সহ বেশ কয়েকজন তরুণ হিপহপ ও র‌্যাপাররা ‘চুদলিং পং’ শিরোনামে গান তৈরি করেছেন, যা ইউটিউব ও টিকটকে লাখ লাখ ভিউ পেয়েছে। এই মিউজিক ট্র্যাক ও ডিজে রিমিক্সগুলোর কারণে শব্দটি দ্রুত সাধারণ মানুষের কান পর্যন্ত পৌঁছে যায়।

প্যারোডি ও নাটক: পরবর্তীতে বিভিন্ন বিনোদন মাধ্যম, এমনকি নাটকের নাম (যেমন: ‘চুদলিং পং’ শর্ট ফিল্ম) এবং রাজনৈতিক বা সামাজিক প্যারোডিতে শব্দটির নিয়মিত ব্যবহার একে মূলধারার আলোচনায় নিয়ে আসে।

কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও দ্রোহ: সমাজবিজ্ঞান ও ভাষা গবেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বা সামাজিক একঘেয়েমি কিংবা গুমোট পরিস্থিতি থেকে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে যে হতাশা তৈরি হয়, তা প্রকাশের জন্য তারা মান্য বা প্রমিত ভাষা থোরাই কেয়ার করে। ‘চুদলিং পং’ মূলত প্রচলিত সমাজ বা কর্তৃত্বের গম্ভীরতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর বা মকারি করার একটি প্রতীকী হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।

সংক্ষেপে, এটি এমন একটি শব্দ যার নির্দিষ্ট কোনো অর্থ নেই, কিন্তু যেকোনো আজব বা জটিল পরিস্থিতিকে হালকা চালে প্রকাশ করতে এর জুড়ি নেই।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, বিশেষ করে ফেসবুক এবং টিকটকে ‘রাগ করলা?’, ‘রাগ করলি?’ বা ‘রাগ করলা নাকি?’ শব্দ গুচ্ছটিও ইদানিং বেশ ট্রেন্ডিং একটি মিম এবং রিলস কন্টেন্ট হিসেবে দারুণ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে অশ্লীলতা নেই। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই বাক্যটি কিন্তু সবসময় সাধারণ কোনো প্রশ্ন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে না। এর পেছনে রয়েছে গভীর কৌতুক ও মনস্তাত্ত্বিক খেলা:

খোঁচা দেওয়া বা ট্রোল করা: কাউকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রাগিয়ে দেওয়ার পর, তাকে আরও একটু উস্কে দিতে বা ক্ষ্যাপাতে এই প্রশ্নটি করা হয়। অর্থাৎ, সামনে থাকা মানুষটি যে চরম বিরক্ত, সেটা জেনেও নিষ্পাপ মুখে ‘রাগ করলা?’ বলে পরিস্থিতি আরও মজার (বা অপর পক্ষের জন্য আরও বিরক্তিকর) করে তোলা।

পরিস্থিতি হালকা করা: কোনো সিরিয়াস বা গুমোট পরিস্থিতিকে হঠাৎ হাসিতে রূপান্তর করতে অনেকে এই মিমটি ব্যবহার করছেন।

সম্পর্কের খুনসুটি: প্রেমিক-প্রেমিকা বা বন্ধুদের মধ্যে মিষ্টি ঝগড়ার পর অভিমান ভাঙাতে বা উল্টো আরও একটু রাগাতে এই সংলাপের ব্যবহার দেখা যাচ্ছে।

প্রসংগত, ২০১৩ সালে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ‘চুদুর-বুদুর’ শব্দটি নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে বেশ বড় রকমের রাজনৈতিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ঘটনাটি সে সময় দেশের সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়, এমনকি সীমানা পেরিয়ে কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকাতেও এটি নিয়ে বিশ্লেষণ ছাপা হয়। ভাষাবিদ এবং অভিধানের তথ্য অনুযায়ী, এটি কোনো অশ্লীল শব্দ বা গালি নয়। এটি মূলত একটি অনার্য এবং লোকজ শব্দ। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান’-এ এই শব্দটির স্থান রয়েছে। অভিধান অনুযায়ী এর তিনটি অর্থ পাওয়া যায়:

১. টালবাহানা বা গড়িমসি করা: ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে এই অর্থে শব্দটির ব্যবহার বেশি। একজন সংসদ সদস্য সংসদে মূলত ‘তালবাহানা বা ছলচাতুরি চলবে না’ বোঝাতেই এটি ব্যবহার করেছিলেন।

২. উথাল-পাথাল বা বাড়াবাড়ি করা: সিলেট ও পাবনা অঞ্চলে এই অর্থে এটি ব্যবহৃত হয়।

৩. একটি গ্রাম্য খেলা: গ্রামীণ অঞ্চলের শিশুদের একটি প্রায় বিলুপ্ত খেলার নামও ‘চুদুর-বুদুর’।

কলকাতার বিখ্যাত ভাষাবিদ পবিত্র সরকার এবং ত্রিপুরার অধ্যাপক নির্মল দাস সে সময় গণমাধ্যমে মতামত দিয়ে জানিয়েছিলেন যে, শব্দটি গ্রামীণ বা লোকজ ভাষার অংশ, ভদ্রসমাজে এর ব্যবহার কম হলেও একে কোনোভাবেই ‘অশ্লীল’ বলা যাবে না।

জেলা ও উপঅঞ্চলভিত্তিক লোকভাষার কিছু শব্দ আছে এগুলোর অনেকগুলোর অর্থ সময়, স্থান ও প্রেক্ষাপট অনুযায়ী বদলে যায়। কোনো কোনো শব্দ এক এলাকায় সাধারণ কথ্য ভাষা হলেও অন্য এলাকায় অশোভন বা কুরুচিপূর্ণ বলে বিবেচিত হতে পারে।

মানিকগঞ্জ, ধামরাই ও সাভার অঞ্চলে মাগী, মাল, আইটেম, পটানো, সেটিং; ফরিদপুর, রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জ অঞ্চলে ঢলানি, ন্যাকামি, লেপ্টালেপ্টি, ফস্টিনস্টি; নোয়াখালী, বেগমগঞ্জ ও লক্ষ্মীপুর অঞ্চলে মাইয়া, বেটি, নষ্ট মাইয়া, পিরিত; কুমিল্লা, চাঁদপুর ও ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া অঞ্চলে পটাইছে, লাইন দিছে, ফুর্তি; চট্টগ্রাম, রাউজান ও পটিয়া অঞ্চলে মাইয়্যা, পোলা, ফুর্তি করা, লাইন দেওন; সিলেট, গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার অঞ্চলে বউন, ঢলাঢলি, ফস্টিনস্টি, পিরিতি; ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা অঞ্চলে ছ্যাঁচড়া, ন্যাকামি, ঢং; রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে লটরপটর, পিরিত, ছ্যাঁচড়ামি; রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও অঞ্চলে হাবলা, লটরপটর, পিরিতি করা; খুলনা, যশোর সাতক্ষীরা অঞ্চলে ন্যাকামি, ফস্টিনস্টি, ঢং এবং বরিশাল, পটুয়াখালী ও ভোলা অঞ্চলে লেপ্টালেপ্টি, আদরসোহাগ ও ঢলানি লোকভাষায় অশালীন, কুরুচিপূর্ণ ও দ্ব্যর্থবোধক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

এগুলোর অধিকাংশ ক্ষেত্রে অবমাননাকর, আকর্ষণীয় ব্যক্তি বোঝাতে স্ল্যাং, দ্ব্যর্থবোধক, প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করা, গোপন প্রেম বা সম্পর্ক, অতিরিক্ত আদিখ্যেতা, অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা, প্রেম বা অনৈতিক সম্পর্ক, সামাজিকভাবে নেতিবাচক, আনন্দ, প্রসঙ্গভেদে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ, প্রেম বা অনৈতিক সম্পর্ক, অতিরিক্ত শারীরিক ঘনিষ্ঠতা, যৌনতা ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়।

লোকসাহিত্য, পুঁথি, পালাগান, কবিগান, বটতলার বই এবং মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে আরও বহু দ্ব্যর্থবোধক ও যৌন-ইঙ্গিতপূর্ণ শব্দ পাওয়া যায়। এগুলোর উৎস বিশ্লেষণ করলে সংস্কৃত, আরবি, ফারসি, উর্দু ও আঞ্চলিক উপভাষার প্রভাব স্পষ্ট দেখা যায়।

রাজশাহী অঞ্চলে ‘মাগী’ শব্দটা বহুল প্রচলিত। সেখানে মাগীর ব্যাটা বলে আপন ভাইকে ডাকে। মাগী শব্দটা তাদের কাছে নিশ্চয়ই সর্বোচ্চ সম্মানের। ‘মাগী’ শব্দটি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে অনেক সময় নিরপেক্ষ অর্থে ‘নারী’ বোঝাতে ব্যবহৃত হতো; আধুনিক বাংলায় এটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে অবমাননাকর। তবে রাজশাহী অঞ্চলে কেউ কাউকে গালি দিয়ে বলে, ‘এই বেশ্যার ব্যাটা’। আবার চাপাইনবাবগঞ্জে ‘চুথমারানি’ শব্দটি ব্যাপকভাবে শোনা যায়। রাগ করলা!

লেখক :কলামিস্ট ও সম্পাদক :সাপ্তাহিক করচা

এ বিভাগের আরও সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ