বৃহস্পতিবার

১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিংগাইরে খাদ্য ব্যবস্থার মূল্যায়নে স্টেকহোল্ডাদের নিয়ে মতবিনিময় ও কর্মশালা

🕙 প্রকাশিত : ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ । ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওয়েভ ফাউন্ডেশনের আয়োজনের গ্রীন ইভোল্যুশন প্রকল্পের আওয়ায় ‘ফুড সিস্টেম এসেসমেন্ট’ ওপর স্থানীয় কৃষকসহ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে মতবিনিময় ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে উপজেলা কৃষি অফিসের হলরুমে এই মতবিনিয়ম ও কর্মশালা হয়। অনুষ্ঠানে ফুড সিস্টেম এসেসমেন্ট (এফএসএ) এর প্রজেক্ট কোওর্ডিনেটর কৃষিবিদ মো: আনিসুর রহমানে সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ হাবিবুল বাশার চৌধুরী এবং উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাদিয়া রহমান।

এছাড়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, উপজেলার চারটি ইউনিয়নের ৪ জন লিড ফার্মার, ইউপি মেম্বার, উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা, উপসহকারি মৎস্য কর্মকর্তা, উপসহকারি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, প্রাইভেট কোম্পানি প্রতিনিধি, সাস এনজিও এর প্রতিনিধিসহ প্রকল্প কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দৈনিক টেলিগ্রাম

জানা গেছে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওয়েভ ফাউন্ডেশন সিংগাইর উপজেলার জয়মন্টপ ক্লাস্টারের ১১ টি গ্রামে ৪৮০ টি পরিবারের মধ্যে র্যান্ডম স্যাম্পলিং এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের খাদ্যাভাসের উপর একটি গবেষণা করে। গবেষণায় খাদ্য ব্যবস্থার মূল্যায়ন উপর জোড় দেয়া হয়। এতে দেখা গেছে, উৎপাদিত কৃষির বিভিন্ন ধরণের পণ্যর মধ্যে ব্যবহার করা হয়েছে রাসায়নিক সার ও কীটনাশন। কৃষি কাজে জৈবসারের ব্যবহার একেবারেই কম। খাদ্য ব্যাবস্থার মূল্যায়ন (ফুড সিস্টেম এসেসমেন্ট) গত নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ এবং চলতি ডিসেম্বর মাসের ১ম সপ্তাহে। তারই ফলাফল বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের মাঝে উপস্থাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব মো: হাবিবুল বাশার চৌধুরী বলেন,‘ওয়েভ ফাউন্ডেশন এর এগ্রোইকোলজিক্যাল কার্যক্রম কৃষি বিভাগের মাধ্যমে সফলতা লাভ করবে। কৃষি বিভাগের ৩৪ জন জনবল কৃষকের দোড় গোড়ায় পৌছে দিবে এবং প্রদর্শনী প্লট স্থাপনসহ কিছু উপকরণ ও পরামর্শ অব্যাহত রাখবে।

তিনি আরও বলেন, সিংগাইর কৃষি বিভাগ যেভাবে কাজ করছে তা রোল মডেল হিসেবে পরিচিত। তিনি ওয়েভ ফাউন্ডেশনের লীড ফার্মার (কৃষক) মো: মনির হোসেনকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলেন,‘ বাংলাদেশের মানিকগঞ্জ জেলায় একমাত্র GAP এর সার্টিফিকেট প্রাপ্ত কৃষক যিনি দেশের বাইরে সবজির রপ্তানি করছেন, যা সিংগাইরের জন্য গর্ববোধময়।’ সিংগাইরের মাটির স্বাস্থ্য দিনে দিনে হুমকির মুখে পড়তেছে। এখনি যদি সচেতন না হই, অতিরিক্ত রাসায়নিক কীটনাশক ব্যাবহারের পরিবর্তে বেশি বেশি জৈব সার ও বালাইনাশক ব্যবহার না করি তাহলে মাটি আর আমাদের কথা শুনবে না, ফসল ফলবে না।”

এ বিভাগের আরও সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ