ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ষষ্ঠ দিনে গড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইরানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যোগ দিয়েছে মার্কিন সমর্থিত কুর্দি যোদ্ধারা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে হাজার হাজার কুর্দি যোদ্ধা ইরানের সীমান্ত অতিক্রম করে দেশটির বাহিনীর বিরুদ্ধে স্থল অভিযান শুরু করেছে।
জেরুজালেম পোস্ট ও ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরাক-ইরান সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে পরিচালিত ইরানি কুর্দি গোষ্ঠীগুলো তেহরান সরকারের বিরুদ্ধে অভিযানে অংশ নিচ্ছে। এই গোষ্ঠীগুলোর হাজার হাজার যোদ্ধা সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানে স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছিল এবং ইরানি বাহিনীর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে সীমান্তে অবস্থান জোরদার করেছিল।
জেনিফার গ্রিফিন নামে একটি এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে দাবি করা হয়, মার্কিন কর্মকর্তারা ফক্স নিউজকে নিশ্চিত করেছেন যে কয়েক হাজার কুর্দি যোদ্ধা ইরানের ভেতরে সীমান্ত পেরিয়ে স্থল হামলা শুরু করেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতেই তারা ইরানি বাহিনীর বিরুদ্ধে এই অভিযান শুরু করে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি বিদ্রোহীদের সহায়তা দিচ্ছে—এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মার্কিন যুদ্ধমন্ত্রী পিট হেগসেথ। বুধবার তিনি বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের অভ্যন্তরে বিদ্রোহীদের সশস্ত্র করছে না। যদিও তিনি উল্লেখ করেন, মার্কিন সরকারের অন্যান্য অংশ এ বিষয়ে জড়িত থাকতে পারে।
এদিকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিটও ট্রাম্প প্রশাসন কুর্দি যোদ্ধাদের অস্ত্র সরবরাহে সম্মত হয়েছে—এমন সংবাদ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মিত্র ও নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।
লেভিট আরও জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উত্তর ইরাকে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি নিয়ে কুর্দি নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তবে ট্রাম্প কোনো সামরিক পরিকল্পনায় সম্মতি দিয়েছেন—এমন দাবি পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

