মঙ্গলবার

১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৪ঠা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হারুনার রশীদ খান মুন্নু: শিল্প ও রাজনীতিতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র

🕙 প্রকাশিত : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ । ৮:৫১ পূর্বাহ্ণ

হারুনার রশীদ খান মুন্নু: শিল্প ও রাজনীতিতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র
বাংলাদেশের শিল্পায়ন এবং রাজনৈতিক ইতিহাসে যে কজন মানুষ নিজেদের কর্মগুণে স্মরণীয় হয়ে আছেন, হারুনার রশীদ খান মুন্নু তাদের মধ্যে অন্যতম। তিনি একাধারে একজন সফল শিল্পপতি, অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ এবং নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক। সিরামিক শিল্পে বিপ্লব ঘটানো থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের জনসেবা—সবখানেই রেখেছেন মেধার স্বাক্ষর।

জন্ম ও শিক্ষা জীবন
১৯৩৩ সালের ১৭ আগস্ট মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের ইব্রাহিমপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন হারুনার রশীদ খান মুন্নু। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন মেধাবী।

তার শিক্ষাজীবনের মাইলফলকগুলো হলো:

১৯৫২: ঈশ্বরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বাণিজ্য শাখায় প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিক পাস।

১৯৫৪: ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ কলেজ থেকে বাণিজ্য বিভাগে এইচএসসি পাস।

১৯৫৬: বি.কম ডিগ্রি লাভ এবং পরবর্তীতে চার্টার্ড একাউন্টস কোর্স সম্পন্ন করেন।

ব্যবসায়িক সাফল্য ও মুন্নু গ্রুপ
একজন চার্টার্ড একাউন্ট্যান্ট হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলেও তার লক্ষ্য ছিল বিশাল। তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘মুন্নু গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ’। বিশেষ করে তার প্রতিষ্ঠিত মুন্নু সিরামিকস দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছে। তার হাত ধরেই কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।
রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও জনসেবা
ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি হারুনার রশীদ খান মুন্নু রাজনীতিতেও ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার নির্বাচনী সফলতার খতিয়ান অত্যন্ত ঈর্ষণীয়:

১৯৯১: মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

১৯৯৬: পুনরায় একই আসন থেকে বিজয়ী হয়ে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখেন।

২০০১: এই নির্বাচনে তিনি এক অনন্য রেকর্ড গড়েন। তিনি একসঙ্গে মানিকগঞ্জ-২ এবং মানিকগঞ্জ-৩ আসন থেকে জয়লাভ করেন (পরবর্তীতে তিনি মানিকগঞ্জ-২ আসনটি ছেড়ে দেন)।

তিনি সরকারের মন্ত্রিসভায় একজন দক্ষ মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
পারিবারিক জীবন
১৯৫৫ সালে হারুনার রশীদ খান মুন্নু বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তার সহধর্মিণী হুরুন নাহার রশিদ। এই দম্পতির দুই কন্যা সন্তান রয়েছেন—আফরোজা খান রিতা ও ফিরোজা মাহমুদ। বাবার উত্তরসূরি হিসেবে আফরোজা খান রিতা বর্তমানে রাজনীতি ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন।

১ আগস্ট ২০১৭ সালে এই কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব মৃত্যুবরণ করেন। মানিকগঞ্জের মাটি ও মানুষের নেতা হিসেবে তিনি যে উন্নয়নমূলক কাজ করে গেছেন, তা আজও স্মরণীয়। মুন্নু মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান আজও তার সমাজসেবার সাক্ষ্য বহন করছে।

অনুলিখন।

জন্ম ও শিক্ষা জীবন: ১৯৩৩ সালের ১৭ আগস্ট মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের ইব্রাহিমপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন হারুনার রশীদ খান মুন্নু। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন মেধাবী। ১৯৫২: ঈশ্বরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বাণিজ্য শাখায় প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিক পাস। ১৯৫৪: ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ কলেজ থেকে বাণিজ্য বিভাগে এইচএসসি পাস। ১৯৫৬: বি.কম ডিগ্রি লাভ এবং পরবর্তীতে চার্টার্ড একাউন্টস কোর্স সম্পন্ন করেন। ব্যবসায়িক সাফল্য ও মুন্নু গ্রুপ: একজন চার্টার্ড একাউন্ট্যান্ট হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলেও তাঁর লক্ষ্য ছিল বিশাল। তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘মুন্নু গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ’। বিশেষ করে তাঁর প্রতিষ্ঠিত মুন্নু সিরামিকস দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছে। তাঁর হাত ধরেই কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।
রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও জনসেবা ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি হারুনার রশীদ খান মুন্নু রাজনীতিতেও ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর নির্বাচনী সফলতার অত্যন্ত ঈর্ষণীয়: ১৯৯১: মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬: পুনরায় একই আসন থেকে বিজয়ী হয়ে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখেন। ২০০১: এই নির্বাচনে তিনি এক অনন্য রেকর্ড গড়েন। তিনি একসঙ্গে মানিকগঞ্জ-২ এবং মানিকগঞ্জ-৩ আসন থেকে জয়লাভ করেন (পরবর্তীতে তিনি মানিকগঞ্জ-২ আসনটি ছেড়ে দেন)। তিনি সরকারের মন্ত্রিসভায় একজন দক্ষ মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। পারিবারিক জীবন ১৯৫৫ সালে হারুনার রশীদ খান মুন্নু বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তার সহধর্মিণী হুরুন নাহার রশিদ। এই দম্পতির দুই কন্যা সন্তান রয়েছেন—আফরোজা খান রিতা ও ফিরোজা মাহমুদ। বাবার উত্তরসূরি হিসেবে আফরোজা খান রিতা বর্তমানে রাজনীতি ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। ১ আগস্ট ২০১৭ সালে এই কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব মৃত্যুবরণ করেন। মানিকগঞ্জের মাটি ও মানুষের নেতা হিসেবে তিনি যে উন্নয়নমূলক কাজ করে গেছেন, তা আজও স্মরণীয়। মুন্নু মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, স্কুল, কলেজসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান আজও তাঁর সমাজসেবার সাক্ষ্য বহন করছে।

এ বিভাগের আরও সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ