বৃহস্পতিবার

১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হরিরামপরের পোদ্দার বাড়ির বংশোদ্ভূত বাবু নারায়ণ চন্দ্র পোদ্দারের ৬ষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকী

এ অঞ্চলের  বিখ্যাত পোদ্দার বাড়ির ৫ম বংশধর তিনি। কথিত আছে তাঁর দুয়ার থেকে কেউ খালি হাতে ফেরত যায়নি।

🕙 প্রকাশিত : ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ । ৬:৩৫ পূর্বাহ্ণ

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পোদ্দার পরিবারের বংশোদ্ভূত  নারায়ণ চন্দ্র পোদ্দার।

তৎকালীন  হরিরামপুর উপজেলার ধনাঢ্য পরিবার হিসেবে খ্যাত ঝিটকা পোদ্দার বাড়িতে ১৯৪৯ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মহেন্দ্র চন্দ্র পোদ্দার। এ অঞ্চলের  বিখ্যাত পোদ্দার বাড়ির ৫ম বংশধর তিনি। কথিত আছে তাঁর দুয়ার থেকে কেউ খালি হাতে ফেরত যায়নি। তাঁর জীবদ্দশায় তিনি সমাজ ও এলাকার  মানুষদের জন্য রেখে গেছেন অনবদ্য অবদান।জানা যায়,  বংশের ঐতিহ্য রক্ষায় উপজেলার ঝিটকা অঞ্চলে তিনি  নিজের পৈতৃক জমিট ওপর গড়ে তুলেছেন বাসুদেবপুর মহাশ্মশান ঘাট।  ঝিটকা পোদ্দার বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিও তাঁর নিজ জমিতে নিজ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা করেন।

 শিক্ষা জীবনে  বি কম পাশ করে তিনি ঝিটকা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। একাধারে তিনি ঝিটকা আনন্দ মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির ১ নং সদস্যের দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে গেছেন দীর্ঘদিন। পরোপকারী ও মহৎপ্রাণ এই মানুষটি ২০১৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।  তিনি চলে গেলেও রেখে গেছেন তাঁর অসংখ্য অবদান ও  গুণগ্রাহী। এখন তার অবর্তমানে তার দুই ছেলে বিপ্লব পোদ্দার ও রনি পোদ্দার পিতার কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন।

নারায়ণ চন্দ্র পোদ্দারের ছেলে বিপ্লব পোদ্দার বলেন,  হরিরামপুরে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে আমার বাবা ছিলেন এক কথায় সবার নয়নমণি। তিনি কখনো কারো ক্ষতি করেননি৷ তিনি সর্বদাই চেষ্টা করেছেন মানুষকে সহোযোগিতা করার, সমাজের মানুষের কল্যাণে কাজ করার৷ তিনি ঝিটকা অঞ্চল তথা হরিরামপুরবাসীর জন্য রেখে গেছেন অনন্য অবদান৷ যার ফল মানুষ তাঁর মৃত্যুর পরেও ভোগ করছেন৷ আজ আমার বাবার ৬ষ্ঠ প্রয়ান দিবসে বাবার জন্য সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি। সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন। আমাদের জন্যও দোয়া করবেন, যেন বাবার মতো আমরা দুটি ভাই যেন আপনাদের সুখেদুঃখে পাশে থাকতে পারি।

এ বিভাগের আরও সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ